‘আমার সাথে এতো ফ্রেন্ডলি কথা বলছেন। এতে আপনার রেপুটেশন কমে যাবে না?’, তিথির আচমকা প্রশ্নে রাহুল একটু থামে। মেসেজের উত্তর দিতে গিয়েও দিতে পারে না।

মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্ট পাবার পরপরেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছে। ফেসবুকের ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুসুলভ কথা বলা এখনো ভুলে উঠতে পারেনি। শিক্ষকদের জন্য অলিখিত নিয়মগুলো সে আয়ত্ত করা শেখেনি। ছাত্রছাত্রীদের সাথে দূরত্ব রাখার সংবিধান এখনো হাতে আসেনি তার। তাদেরকেও ফ্রেন্ডলিস্টের অন্যান্য বন্ধুদের মতোই মনে করে। অন্যদের সাথে যেভাবে কথা বলে, মেসেজের উত্তর দেয়, কমেন্টের রিপ্লাই দেয়, সেভাবেই দেয়। এটা যে কোনো ছাত্রীর মনে প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে, তা জানা নেই।

‘কমলে কমবে। আমি রেপুটেশন-টেপুটেশনের ধার ধারি না। স্টুডেন্ট-টিচারের মাঝে দুরত্ব যে থাকতেই হবে, এমন কোথাও লেখা নাই। তার থেকে বড় কথা হলো, আমি তোমাদের সাথে ফ্রেন্ডলি, ফ্রেন্ড তো আর না। ব্যাপার নাহ। আর স্টুডেন্টের ফ্রেন্ড হওয়াতেও তেমন কিছু দেখি না। ভার্সিটি এজুকেশনে এসব কোন বাঁধা না। টিচারের চেয়ে বেশি বয়সের স্টুডেন্টও থাকতে পারে। কিছু টিচার স্টুডেন্ট-ওরিয়েন্টেড হতেই পারে।’, তিথির প্রশ্নের উত্তর এভাবেই দিলো রাহুল। রাহুল টিচার হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীদের সাথে এভাবে বেশি মিশে বলে তার নামে অনেক অভিযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগগুলোর প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের মাথাপিছু ঋণের চেয়েও বেশি। যতটা দ্রুত মানুষের অভাব দূর হচ্ছে বলে টিভি-পত্রিকায় রিপোর্ট করা হচ্ছে, তার চেয়েও দ্রুতগতিতে তার অভিযোগগুলো ছড়াচ্ছে। সে তাকিয়ে দেখে। চুপচাপ।

প্রথমে অভিযোগ দিলেন এক কলিগ। নাম সোহান। তিনি বললেন, ‘আপনি তো মাস্টার হইছেন। ফেসবুকে দেখেশুনে লিখেন। ছাত্রছাত্রীরা তো পড়ে। নাকি?’

‘পড়ুক। কিন্তু কোন অপরাধের কথা বলছেন?’ প্রশ্নটা করার সময় কপাল কুঁচকে গেলো। ছাত্রীদের সাথে চ্যাটিং করার কথা কি সোহানও জেনে গেছে কিনা, এটা নিশ্চিত না হয়ে গোপনীয় কোন কথাই বলে ফেলা ঠিক হবে না।

‘না। অপরাধ না। এখানে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পাদা নিষেধ। এ ধরণের নোংরা কথা ফেসবুকে লিখলেন, তাই বললাম। একজন শিক্ষক হয়ে পাদা কিংবা গু-মুতের কথা লিখেন, কেমন দেখায় না?’ সোহান নিশ্চিত হয়। চিন্তামুক্ত হয়। পোস্টের প্রসঙ্গ তুলেছে। ছাত্রীদের সাথে চ্যাটিংয়ের কথা তাহলে এখনো শিক্ষক পর্যন্ত গড়ায়নি।

‘ওহ। আপনি পাদেন না?’

‘তা তো পাদিই। কিন্তু তাই বলে ফেসবুকে?’

‘পাদতে পারেন আর সেটা লিখতে পারা যাবে না?’

‘যাবে। তা তো বুঝলাম। কিন্তু ফেসবুক তো পাবলিক প্লেস। এছাড়া আপনার ছাত্রছাত্রী আছে।’

‘ওরাও পাদে। আমি ওদের জিজ্ঞাসা করেছি।’

এবার তর্কটা থেমে গেল। থেমে যাওয়ার কারণ হলো, সে যারপরনায় বিরক্ত হয়েছে। একজন শিক্ষকের সাথে তর্ক করা মজার কারণ তাদের পেশাই হলো কথা বলা, শিক্ষার্থীদের ওপর নিজের জ্ঞানীভাব ফুটিয়ে তোলা এবং সে স্বার্থে হলেও সারাক্ষণ বকবক করার অভ্যাস হয়ে যায়। কিন্তু এমন শিক্ষকের সাথে না তর্ক করে মজা নেই। এমনটি ভেবে তিনি থেমে গেলেন। তারপরের দিন রাহুল ফেসবুকে লিখল, ‘আমি কোনো শালাকে জীবনেও গালি দিইনি।’

সোহান তাকে আনফ্রেন্ড করলেন। সহ্য করতে পারেন নি।

অভিযোগ থেমে নেই। নতুন নতুন অভিযোগের জন্ম হচ্ছে। তবে রাহুল ভয়ে আছে একটা অভিযোগ নিয়েই। সে ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিস্টে ছাত্রছাত্রীদের যোগ করেছে। এমন ভয়াবহ অপরাধ এর আগে এই প্রতিষ্ঠানের কেউ কখনো করেনি। এখানকার শিক্ষকেরা স্টুডেন্ট দেখে ফেলবে এই ভয়ে চোরের মত মাথা নিচু করে আধা কিলোমিটার হেঁটে দূরের রাজিবের চায়ের দোকানে চা খেতে আসে। সবসময় না, যখন ওখানে ছাত্ররা বিড়ি খেতে যাবে না, এমন সময়ে। এখানে ছাত্রছাত্রীদের থেকে শিক্ষকেরা দূরত্বে থাকে। তবে পারলে প্রশ্নগুলো বলে দেয়। নাম্বারও একটু ধরেই দেয়। তবে যেহেতু স্টুডেন্ট বেচারা টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছে কিংবা বাড়ির কারো আকিকা, কুলখানি কিংবা সুন্নতে খাতনার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়, সেহেতু এটুকু নাম্বার বাড়িয়ে না দিলে দাওয়াতের সাথে বেঈমানী করা হবে। তার বিরুদ্ধের অভিযোগটা এজন্যই শক্তিশালী যে ছাত্রছাত্রীদের ফেসবুকে অ্যাড করাই যেখানে অপরাধ, সেখানে তাদের সাথে চ্যাটিংও নাকি করে। অপরাধটির কথাই সুমি তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে। এখন তার প্রশ্নের প্রাসঙ্গিকতা খুঁজে পায়।

অভিযোগগুলো প্রমাণ করার জন্য নানা তদবির চলছে। এর মধ্যেই হুট করে দেখা হয়ে গেল এক ছাত্রীর সাথে। ছাত্রীর সাথে দেখা হওয়াটা হুটহাটের কিছু নাই, কিন্তু এখানে একটা ভূমিকা আছে।

ইউনিভার্সিটিতে না, দেখা হলো রাজিবের চায়ের দোকানে। সে যখন বেরিয়ে আসছিল, তখন দোকানের পেছন থেকে এসে একটা মেয়ে সালাম দিলো। চুপচাপ উত্তর দিয়ে চোরের মতো চলে এল। মনে হলো, চা খেতে এসে অপরাধ করে ফেলেছে। সে ধারণা করেছিলো, যেহেতু এই রাজিবের দোকানেও চা খেতে স্টুডেন্ট চলে এসেছে, সুতরাং শিক্ষকেরা নিশ্চয় আরো দূরের কোনো দোকান, শিক্ষার্থীদের বিচরণমুক্ত কোনো দোকান খুঁজে বের করবে।

মেয়েটির নাম রায়া। তার সাথে পরিচয়ের কারণও রাহুলের পোস্ট। সে লিখেছিলো, ‘বি পজিটিভ এক ব্যাগ রক্তের জন্য একজন মুমূর্ষু রোগী দরকার।’ মেয়েটি তার পোস্টে হাহা রিঅ্যাকশন দিয়ে ইনবক্সে বলেছিল, ‘স্যার, রোগী পাওয়া গেছে। রক্ত কি প্রস্তুত?’ রাহুল হাসির ইমো দিয়েছিলো। রায়াও। সেদিন থেকে দুজনের কথা শুরু হলো। দুসপ্তাহ হয়ে গেছে।

আজ রাতে রায়ার সাথে না, কথা হলো তিথির সাথে। তিথি বেশ অধিকার নিয়ে কথা বলে। আজ বললো, ‘স্যার, একটা কথা বলবো। রাখবেন?’

‘বলো।’

‘কিছু মনে করেন না, আপনার ব্যক্তিগত একটা ইস্যু নিয়ে বলতে চাচ্ছিলাম আর কি।’

‘বলো।’

‘ওই জ্যাকেটটা পরে আইসেন না। ওটাতে আপনাকে মানায় না। কোট পরে আসবেন। প্রয়োজনে আরো কয়েকটা কোট কিনেন।’

‘আমার একটাই কোট। আর হাতে টাকাও নেই যে এক্সট্রা আরেকটা কিনবো। বাই দ্য ওয়ে, যেটা আছে সেটাই পরে আসবো তাহলে। ওকে?’

পরদিন সকালে পরীক্ষার হলে তার ডিউটি ছিল। আজ শীতও কম, তবে এই কম-শীতেও শুধু শার্টে হবে না। আবার জ্যাকেট পরলেও গরম লাগবে। তাই কোট-প্যান্ট পরে এলো। অথচ এটা আরো আলোড়ন সৃষ্টি করলো। রাহুল স্যার তার প্রেয়সীকে দেখানোর জন্য, ছাত্র-ছাত্রীদের ম্যাম কিংবা ভাবিকে দেখানোর জন্য এভাবে সেজেগুজে অফিসে এসেছে। সবার সন্দেহটা তিথিই জানালো রাহুলকে। বলল, ‘স্যার, আজ কি ম্যামকে দেখানোর জন্য কোট-প্যান্ট পরে আসছিলেন?’

রাহুল কোন উত্তর দেয় না। হাসির ইমো দেয়। তিথি জিজ্ঞাসা করে, ‘ম্যামের নামটা বলেন না স্যার, শুনি।’

এবারো হাসির ইমো দেয়। তিথি উত্তর না পেয়ে প্রসঙ্গ পাল্টায়। সে বলে, ‘স্যার, মেসেঞ্জারে আরো অনেক মেয়ের সাথে কথা বলেন, তাই না?’

‘না তো। কথা বলার সময় কই?’ উত্তরটা দেয়ার আগে রাহুলের হাত কেঁপে উঠল। তিথি তাহলে জেনেই গেলো!

‘আমি কিন্তু জানি, স্যার।’

‘ও হ্যাঁ, কেউ নক দিয়ে হাই হ্যালো করলে রিপ্লাই তো দিতেই হয়। আর কথা বললেই বা তোমার কী? কথা তো যারতার সাথেই বলতে পারি।’

‘তা তো বলতেই পারেন স্যার। আর হ্যাঁ, হাই হ্যালোর বেশিও রিপ্লাই দেন স্যার, জানি। একজনকে বলেছেন, সেদিন তোমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল।’

রাহুল থমকে যায়। চমকে উঠে। রাহুল ভেবেছিলো, রায়ার সাথে যে কথা হচ্ছে তা কেউ না জানুক, অন্তত তিথি না জানুক। কারণ তিথির সাথেও তার কথা হয়। অথচ রায়া তিথিকেই বলে দিয়েছে। তবু লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে বলল, ‘কে বলল তোমাকে?’

‘নাম বলব না, স্যার। আপনি তো চেনেনই।’

রাহুল তিথি ও রায়া দুজনকেই আনফ্রেন্ড করলো। ছাত্রীদের সাথে কোন কথার উত্তর দেয়া যাবে না, এমনকি তারা যদি জিজ্ঞাসাও করে এই পার্পেল কালারের ড্রেসে আমাকে কেমন লাগছে স্যার, তবুও চুপ থাকতে হবে কিংবা অন্য উত্তর দিয়ে প্রসঙ্গ বদলাতে হবে। ছাত্রীদের সাথে চিন্তাভাবনা করেও কথা বলতে হবে। এসব ভাবতে ভাবতেই রায়া নক দিলো, ‘আমাকে আনফ্রেন্ড করলেন যে?’

‘স্টুডেন্টদের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদ দিচ্ছি। তাই তুমিও বাদ গেলে।’

‘শুধু স্টুডেন্টরাই বাদ যাচ্ছে, নাকি ছাত্ররাও?’

‘ছাত্ররা কি স্টুডেন্টদের বাইরের কেউ?’

‘বাইরেরই তো। আপনারা তো ঢাকাতে টিউশন করার সময় এই আজব পরিভাষা ব্যবহার করেন। ছেলেদের বলেন ছাত্র আর মেয়েদের বলেন স্টুডেন্ট।’

রাহুল চুপ করে থাকলো। রায়াকে ব্লক দিলো। ব্লক না দিলে এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তখন আবারো কী বলে বসে, এই ভয়টাও ছিলো বেশি। ব্লক দিলো তিথিকেও। তার প্রশ্নের মুখোমুখি হতে রাহুল ভয় পাচ্ছে কিংবা বিব্রতবোধ করছে।

কিন্তু যেটার ভয়ে রায়া আর তিথি ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদ গেলো, সেটাই ঘটে গেলো। ইউনিভার্সিটির সবাই জেনে গেলো, রাহুল স্যার এক ছাত্রীর সাথে প্রেম করছে। কে এভাবে রটিয়েছে, তা নিশ্চিত না। রোহান স্যারও হতে পারে, তিথিও হতে পারে, রায়াও হতে পারে, এমনকি অন্য যে কেউই হতে পারে। তবে সন্দেহটা তিথির দিকেই যাচ্ছে কারণ তিথিই এ প্রশ্নটা রাহুলকে একবার করেছিল, এমনকি প্রথমেই।

রাহুল স্যার কোনো এক ছাত্রীর সাথে প্রেম করছে সেটা সবাই জানে কিন্তু কার সাথে, কে সেই মেয়ে এটা কেউ বলতে পারছে না।

বিষয়টা ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান, প্রক্টর, এমনকি রেজিস্ট্রার পর্যন্ত গড়ালো। প্রক্টর শিক্ষার্থীদের বিচার করতেই হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে শিক্ষকের বিচারও করতে হবে এবার। বিচার ডাকা হলো, অথচ কোন বিচারপ্রার্থী নেই। তবে শিক্ষার্থীরা, অবশ্য অনেক শিক্ষকও নাকি তাকে জানিয়েছে যে, রাহুল স্যার এক ছাত্রীর সাথে প্রেম করছেন।

বিচার কী হবে কেউ বুঝে উঠতে পারছে না। ছাত্রছাত্রীরা সামনে দাঁড়িয়ে আছে, সাক্ষী দিতে নয়, স্যারের বিচার দেখতে। এরা স্যারের বিচার কখনো দেখেনি। আজ দেখবে। তাও আবার তাদের কোনো এক, নাম না-জানা এক বান্ধবীর সাথে প্রেম করার অপরাধে বিচার। অপেক্ষা করছে সবাই। হঠাৎ প্রক্টর বলে উঠলেন, ‘আচ্ছা, সে তো প্রেম করেছে, ভালোবেসেছে। এখানে অপরাধটা কোথায়? সে ধর্ষণ তো আর করেনি কিংবা উত্যক্তও করেনি।’

সবার মধ্যে যে গুরুগম্ভীর ভাবটা ছিলো সেটা কেটে গেল। তিথি আর রায়া, অর্থাৎ যাদের সাথে চ্যাটিং হতো, ইনবক্সে কথা হতো, তারা একটু নড়েচড়ে বসল। নড়েচড়ে বসল অন্যরাও। তিথি আড়চোখে তাকাচ্ছে। হঠাৎ রায়া দাঁড়িয়ে বলল, ‘ছাত্রী আর স্যারের প্রেম হওয়া তো আহামরি দোষের কিছু না। ছাত্রীরাও ম্যাচিউর্ড আর স্যারও তো আনম্যারিড। এছাড়া অন্যরা এটা নিয়ে মজা তো করবেই। শালা-শালীর কাজ তো এটাই।’

সবার মধ্যে হাসির রোল পড়ে গেল, বিচার পণ্ড হলো অথচ রাহুল থ’ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো। রায়াকে অন্যরা ভাবি বলবে নাকি আপু, রাহুল স্যারকে দুলাভাই ডাকবে নাকি স্যারই বলবে, এটা নিয়ে তর্ক শুরু হলে এখন কী উত্তর দেয়া যায়, সেটা ভাবতে থাকলো। রায়া সবার দিকে তাকিয়ে, তাকানোর সময় রাহুলকে আড়চোখে দেখে আবারো বলল, ‘এখন পৃথিবী ধর্ষণ আর ধর্ষকের দখলে চলে গেছে। ধর্ষকরা মাফ পেয়ে যাচ্ছে, আর বিচারের কাঠগোড়ায় দাঁড়াচ্ছে প্রেমিক। মনে হচ্ছে, পৃথিবী প্রেমের না, ধর্ষণের।’ রায়ার এমন বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্যে সবাই ‘হ্যাঁ’, ‘ঠিক বলেছ’, ‘এমনই বাজে দিন চলে আসছে’, ‘কী আর করার’ এমন মন্তব্য করে নিজেদের হা-হুতাশ প্রকাশ করতে লাগল। তখন রাহুলের কানের কাছে মুখ নিয়ে রায়া বললো, ‘মুমূর্ষু রোগী পাওয়া গেলো তো, নাকি?’

রাহুল বলল, ‘ রায়া, আমি স্টুডেন্ট লাইফেই বিয়ে করেছি, বছর দুয়েক আগে। গত মাসে একটা মেয়ে হয়েছে। বিয়ের বিষয়টা এখানকার কেউ জানতো না।’

[ ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন ]